সিলেট থেকে যুক্তরাজ্যে গিয়ে ছোট ব্যবসা দিয়ে শুরু করেছিলেন। পরে তিনি “Seamark Group” গড়ে তোলেন, যা ইউরোপে এশিয়ান ফুড ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম বড় প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যের ধনী বাংলাদেশিদের একজন হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশ থেকে বিদেশে গিয়ে সফল হওয়ার অসংখ্য গল্প রয়েছে। সেই অনুপ্রেরণাদায়ক মানুষদের মধ্যে অন্যতম হলেন Iqbal Ahmed। সিলেট থেকে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমানোর পর তিনি খুব ছোট পরিসরে নিজের ব্যবসায়িক জীবন শুরু করেছিলেন। কঠোর পরিশ্রম, ধৈর্য এবং ব্যবসায়িক দক্ষতার মাধ্যমে ধীরে ধীরে তিনি গড়ে তোলেন “Seamark Group” নামের একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, যা বর্তমানে ইউরোপের অন্যতম বড় এশিয়ান ফুড কোম্পানি হিসেবে পরিচিত।
শুরুতে প্রবাস জীবনে তাকে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। নতুন দেশ, নতুন পরিবেশ এবং সীমিত সুযোগ নিয়েও তিনি কখনও হাল ছাড়েননি। ছোট একটি উদ্যোগ থেকে শুরু করে আজ তিনি হাজারো মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছেন। যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশি কমিউনিটিতেও তিনি একজন সম্মানিত ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত।
শেখার বিষয়:
- ছোট শুরু মানেই ছোট ভবিষ্যৎ নয়
- প্রবাসে নেটওয়ার্ক ও ধৈর্য খুব গুরুত্বপূর্ণ

ইকবাল আহমেদের সফলতার গল্প প্রমাণ করে যে, বড় কিছু অর্জন করতে হলে শুরুটা বড় হওয়া জরুরি নয়। বরং প্রয়োজন লক্ষ্য ঠিক রাখা, পরিশ্রম করা এবং সময়ের সাথে নিজেকে গড়ে তোলা। প্রবাসে সফল হতে শুধু অর্থ নয়, সম্পর্ক তৈরি, সততা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বর্তমান তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে যারা বিদেশে পড়াশোনা বা ব্যবসার স্বপ্ন দেখছেন, তাদের জন্য ইকবাল আহমেদের জীবন হতে পারে বড় অনুপ্রেরণা। তার গল্প আমাদের শেখায়— ছোট শুরু থেকেও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সফল হওয়া সম্ভব, যদি আত্মবিশ্বাস ও পরিশ্রমের ঘাটতি না থাকে।















